সুস্থ ও সুন্দর থাকার ৪টি সহজ উপায় ডাক্তার হতে চেয়েছিলেন মীম ! ‘The Tunnel of Love’ :: যেখানে প্রকৃতি ও ভালোবাসা মিশেছে নান্দনিকতায় দীর্ঘ দাম্পত্যের গোপন রহস্য তিশার প্রেম..., ব্যক্তিগত জীবনসহ নানা কথা ... শ্যামলী প্রেক্ষাগৃহ আবার চালু হচ্ছে ফিরছেন বিদ্যা!
Showing posts with label Shagota. Show all posts
Showing posts with label Shagota. Show all posts

Thursday, March 27, 2014

নায়ক নিয়ে ভাবছেন না স্বাগতা


নাটকের পাশাপাশি বেশ কয়েকটি ছবিতেও অভিনয় করেছেন মডেল, অভিনেত্রী ও গায়িকা স্বাগতা। তাঁর অভিনয়ে সর্বশেষ ছবি ‘কোটি টাকার ফকির’। রাজ্জাক পরিচালিত এ ছবিতে স্বাগতা অভিনয় করেন সম্রাটের বিপরীতে। এরপর আরও কয়েকটি ছবিতে অভিনয়ের প্রস্তাব পেলেও রাজি হননি তিনি। কারণ নতুন ছবিতে অভিনয়ের জন্য নায়কনির্ভর নয়, অভিনয়নির্ভর গল্পের অপেক্ষায় আছেন তিনি।
এ প্রসঙ্গে স্বাগতা বলেন, ‘কোটি টাকার ফকির’ ছবিটির পর যতগুলো ছবির প্রস্তাব পেয়েছি, সবগুলোই ছিল নায়কনির্ভর। তাই কাজগুলো করতে রাজি হইনি। চলচ্চিত্রে আমি অভিনয়নির্ভর গল্পের খোঁজে আছি। যদি পাই তাহলে আবারও চলচ্চিত্রে কাজ করতে চাই।’
চলচ্চিত্রে নিজের সেরা কাজ প্রসঙ্গে স্বাগতা বলেন, ‘শত্রু শত্রু খেলা’ নামের ছবিটি আমার জীবনের অন্যতম সেরা কাজ। এই ছবিতে আমি অ্যান্টি-হিরোইনের চরিত্রে কাজ করেছি। আমার সহশিল্পীরা ছিলেন মান্না, মৌসুমী ও রাজ্জাকের মতো বড়মাপের তারকারা। সবার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে অভিনয় করেছি।’
অভিনয়ে স্বাগতার অভিষেক হয়েছিল শিশুশিল্পী হিসেবে। তখন থেকেই অভিনয়ের প্রতি তাঁর ভালো লাগা জন্মে। এ প্রসঙ্গে স্বাগতা বলেন, ‘আমি ছোটবেলা থেকেই অভিনয়ের সঙ্গে জড়িত। শিশুশিল্পী হিসেবে কয়েকটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছি। পরে নির্মাতা হতে চেয়েছিলাম। তাও আবার চলচ্চিত্রনির্মাতা। কিন্তু ভাগ্যে লেখা ছিল, তাই অভিনয়শিল্পী হয়েছি।’ 

স্বাগতা এও বলেন, ‘শিশুশিল্পীর ভাবমূর্তি ছেড়ে আবদুল্লাহ আল মামুনের ‘এক জনমে’ ধারাবাহিকে অভিনয় করি। ওই সময় মামুন আঙ্কেল আমাকে নাটকে নিয়মিত হওয়ার জন্য উত্সাহ দেন। তাঁর উত্সাহে নিয়মিত অভিনয় শুরু করি।’

Tuesday, March 18, 2014

‘ধণ্যি মেয়ে’

আগামিকাল ১৮ মার্চ থেকে চ্যানেল নাইনে প্রচার শুরু হচ্ছে নতুন ধারাবাহিক নাটক ‘ধণ্যি মেয়ে’। মাতিয়া বানু শুকুর রচনায় ও পরিচালনায় এতে অভিনয় করেছেন আবুল হায়াত, ডলি জহর, শিল্পী সরকার অপু, দ্বিপান্বিতা হালদার, সামিয়া পূর্বা, সাদিকা স্বর্না, স্বাগতা, ইন্তেখার দিনার, ইমতিয়াজ বর্ষন, মাহমুদুল ইসলাম মিঠু, ইরফান সাজ্জাদ, শ্যামল মাওলা এবং আরো অনেকে।
আনোয়ার সাহেব একজন সরকারী চাকরিজীবি। এক ছেলে আর তিন মেয়ে নিয়ে তার সংসার। স্ত্রী রাবেয়া একজন সাধারণ গৃহিনী। বড় ছেলে কবির লেখাপড়া শেষ না করেই ব্যবসা শুরু করেছে। বাবার চাকরীর মেয়াদ ফুরিয়ে আসছে তখন তাকেই সংসারের হাল ধরতে হবে। অনোয়ার সাহেবের প্রথম কন্যা বিপাশা-সুন্দরী। এই মেয়েকে লেখাপড়ায় আগ্রহী করে তুলতে পারেন নি তিনি। পাড়ার বহু ছেলেকে নাচিয়ে শেষ পর্যন্ত অর্কমা এক ছেলেকে বিয়ে করে।

দ্বিতীয় মেয়ে মনিষা অনেক মেধাবী আনোয়ার সাহেবের বিশেষ আদরের। এ পর্যন্ত সে বাবা মাকে কোন রকম কষ্ট না দিয়ে নিজের স্কলারশিপের টাকায় পড়াশোনা শেষ করেছে। এবার বি সি এস দেবে। পাড়ার সম্ভ্রান্ত পরিবারের ছেলে মনিষাকে পছন্দ করে। অনেক ঝড় পেরিয়ে পল্লবের সাথে মনিষার বিয়ে হয় বি সি এস পরীক্ষার আগে। মনিষার শ্বাশুড়ী তার পড়াশোনা পছন্দ করে না। পল্লবের সহায়তায় মনিষা বি সি এস পাস করে। চাকরী হয়। শশুড় বাড়িতে এবারে বাধা মেয়েদের চাকরী নিয়ে। এ ভাবেই নানান চড়াই উতরাই পেরিয়ে মনিষা আর তার পরিপার্শ্বের গল্প এগিয়ে যেতে থাকে।
উপরে